শিরোনাম

ডাক্তারী সেবার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হয়ে দেশ ও জনগণের কাজ করতে চাই | Bogura TV | বগুড়া টিভি



দবিরুল ইসলাম পাঁচবিবি (জয়পুরহাট)প্রতিনিধি: 

ডাক্তারী সেবার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হয়ে দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করতে চাই । আগামী ৭ই জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-১ (পাঁচবিবি) আসনে জাতীয়পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এমপি পদে নির্বাচনে দাঁড়ানো পাঁচবিবির কৃতিসন্তান ডা: এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন উপরোক্ত কথাগুলো বললেন । ডাক্তারী ও ব্যাক্তি জীবনে তিনি একজন সাদা মনের মানুষ। এলাকায় সু-পরিচিত। মানবসেবামুলক এ পেশায় তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে ডাক্তারী ও প্রশাসনিক পদে  নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাৎকারে ডাঃ এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন আরো বলেন, চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি আগে থেকেই ভাবতাম অবসর জীবনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে সাধারন মানুষের ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। প্রায়ত রাষ্টপতি হুসেইন মোঃ এরশাদ নিজ হাতে দেশের মানুষের ভাগ্যন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক দল গঠন করেন ”জাতীয় পার্টি”।

 এ দলের বর্তমান চেয়ারম্যান জি এম কাদের স্যার জয়পুরহাট-১ আসনের মানুষের সেবা করার নিমিত্তে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি লাঙ্গল প্রতীক পাওয়ায় জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির সকল নেতাকর্মিরা বেশ আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। সেই সঙ্গে আগামী ৭ই জানুয়ারী লাঙ্গলের জয়ের জন্য দলের পক্ষে কাজ করবেন। জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর কেন্দ্রীয় কমিটি একজন সৎ ও যোগ্য ব্যাক্তিকে লাঙ্গল প্রতীক দিয়েছে। নির্বাচনে শতভাগ আমরা জয়ী হব বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে তিনি জয়পুরহাট জেলা জাতীয় পার্টির একজন অন্যতম সদস্য।জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে জয়পুরহাট-১ আসন গঠিত।জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা গ্রামে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সেবামুলক পেশার অধিকারী বিশিষ্ঠ চিকিৎসক ডাঃ মোয়াজ্জেম হোসেন জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল মমিন মন্ডল ছিলেন একজন সাধারন কৃষক । ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় তিনি খুব মেধাবী ছিলেন । 


একারনে তাকে পাশের গ্রাম দরগাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেন তার পিতা। ১৯৬২ সালে পঞ্চম শ্রেণী সফলতার সঙ্গে পাশ করার পর পাঁচবিবি লাল বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাশ করে তিনি রংপুরের কারমাইকেল মহাবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ১৯৭০ সালে সফলতার সঙ্গে পাশ করেন। মানবসেবার প্রত্যয় নিয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৭৫ সালে এমবিবিএস পাশ করে বের হন। ১৯৭৮ সালে দেশের দ্বিতীয়”তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি রেজিষ্টার ডাক্তার হিসাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় প্রবেশ করেন। পাশাপাশি এফ আর এস এইচ ইউকে, ফেলো অস্ট্রেলিয়া,নেপাল,থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর থেকেও তিনি উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করে দেশের বিভিন্ন নামকরা হাসপাতালে ডাক্তারী করেন। এরমধ্যে (২০০১-০৪) সাল পর্যন্ত বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সিভিল সার্জন,২০০৭ সালে ঢাকার সরকারি প্যারা-মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ এবং সর্বোশেষ ২০০৯ সালে তিনি ঢাকা মহাখালীর রোগ নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগের পরিচালকের দ্বায়িত্ব সফলতার সহিত পালন করেন। 


ডাক্তারি পেশায় থাকাকালীণ তিনি মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড   (স্বর্ণপদক) প্রাপ্ত হন।পাশাপাশি শিক্ষার ক্ষেত্রেও তার রয়েছে অনেক অবদান। তিনি একাধারে পাঁচবিবি মহিলা কলেজ, পাঁচবিবি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, পাঁচবিবি আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়,কোকতারা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়,কোকতারা আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জয়পুরহাট প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন এবং বর্তমানে তিনি এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি কলেজ জয়পুরহাটের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।রোগ নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালকের দ্বায়িত্বে থাকাবস্থায় ২০১০ সালে তিনি অবসর গ্রহন করেন। সরকারি চাকুরী থেকে অবসর নিয়ে পাঁচবিবির নিজ বাসায় রমিছা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টার খুলে এলাকার গরীব অসহায় মানুষদের তিনি স্বল্প খরচে এমনকি বিনা পয়সাতেও চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।প্রফেসর ডাক্তার এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন সংসার জীবনে ১ ছেলে ও ১ মেয়ে সন্তানের জনক। তার স্ত্রীও একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ছিলেন।

No comments