শিরোনাম

ইসরায়েলে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীর বাড়ি ঘেরাও | Bogura TV | বগুড়া টিভি


বগুড়া টিভি ডেস্কঃ

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের গাজা প্রধানের বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বলা হয়, হামাসের গাজা প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বাড়ি ঘিরে রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেনাবাহিনী আরও বলেছে ওই নেতা এখনো মাটির নিচে লুকিয়ে আছে। 

এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হামাস নেতার বাড়ি  ঘেরাওয়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে। ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু  জানান, 'গতকালই আমি বলেছিলাম, গাজা ভূখণ্ডের যেকোনো জায়গায় আমাদের সেনা পৌঁছাতে পারবে। আজ আমাদের সেনা সিনওয়ারের বাড়ি ঘিরে ফেলেছে। হতেই পারে তিনি ওখানে নেই। তিনি পালিয়েও যেতে পারেন। তবে আজ না হয় কাল, তাকে ধরা হবেই।'

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনওয়ারের বাড়ি দক্ষিণ গাজায় খান ইউনিস শহরে। গতকাল বুধবার সেখানে ইসরায়েলের সেনারা খুবই তৎপর ছিল। ইসরায়েলের ধারণা, হামাসের নেতারা এখন দক্ষিণ গাজায় আছেন। কারণ, প্রথমদিকে লড়াইটা উত্তর গাজায় সীমাবদ্ধ ছিল। তারা তখন দক্ষিণ গাজায় চলে এসেছেন।

হামাসের এই নেতা দুই দশকের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী ছিলেন। দুই ইসরায়েলি সেনা ও তাদের চারজন ফিলিস্তিনি সঙ্গীকে খুন করার দায়ে তার শাস্তি হয়েছিল। ২০১১ সালে ইসরায়েলের সেনা জিলাদ শালিটের মুক্তির বিনিময়ে এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয় ইসরায়েল। তার মধ্যে সিনোয়ারও ছিল। ২০১৭ সালে সিনোয়ার গাজায় হামাসের প্রধান হন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাজুড়ে হামাসের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সুড়ঙ্গগুলো সাগরের পানি ভরে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছে তেল আবিব। সুড়ঙ্গ ধ্বংসে সীমান্তে বেশ বড় আকারের পাম্প জড়ো করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-শাতি শরণার্থীশিবির থেকে মাইলখানেক দূরে অন্তত পাঁচটি পাম্প বসিয়েছে ইসরায়েল। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পাম্প ব্যবহার করে সাগরের পানি টেনে এনে গাজায় সুড়ঙ্গগুলোয় ফেলা হবে। এসব পাম্প দিয়ে প্রতি ঘণ্টায় হাজারো ঘনমিটার পানি উত্তোলন সম্ভব।

বলা হচ্ছে, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেন হামাসের আল-কাসেম ব্রিগেডের কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ ও হামাস গাজা শাখার অপর নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার।

No comments