হাইকোর্টের আদেশ জালিয়াতি! বগুড়ায় মেয়র জাহাঙ্গীরের মালামাল ক্রোক | Bogura TV | বগুড়া টিভি
আজাদুর রহমানঃ
হাইকোর্টের আদেশ জালিয়াতি মূলে সৃষ্টি সহ দুর্নীতির মাধ্যমে জাল আদেশ বগুড়ার স্পোশাল জজ আদালতে একটি মামলায় দাখিলের অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তশেষে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌর সভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলমসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেছে।
তিনি দুপচাঁচিয়া সিও অফিস রোডের মোঃ আফতাব হোসেনের ছেলে। এই মামলার অপর ২ আসামি হলেন বগুড়া শহরের উত্তর জয়পুরপাড়ার রতন চন্দ্র দাসের ছেলে দুপচাঁচিয়া পৌরসভার সচিব কার্তিক চন্দ্র দাস এবং দুপচাঁচিয় উপজেলার দুপচাঁচিয়া ধাপ সুকানগাড়ি (বম্ব পাড়া) এর আলহাজ্ব সোলাইমান আলীর ছেলে শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোঃ আব্দুল মজিদ। বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী সস্প্রতি এই মামলার অভিযোগ আমলে গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী ও ক্রোকী পরোয়ানার আদেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ ইতিমধ্যে আসামি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মালামাল ক্রোক করেছে।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের ২০১৪৪/ ২০১০ ফৌজদারী মিস কেসের ভুয়া আদেশ আসামিরা জালিয়াতিমূলে সৃষ্ট করে জাল আদেশ বগুড়ার স্পোশাল জজ আদালতে বিচারাধীন ৪/২০০৮ স্পেশাল মামলায় দাখিল করে ওই মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত করার আদেশ হাসিল করে।
পরে হাইকোর্টের ১১২৮/২০২২ নম্বর রীট পিটিশন মামলার ২০২২ সালের ১৬ মার্চ তারিখের রায়ের আলোকে ওই আসামিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য রেজিস্ট্রার জেনারেল (ভারপ্রাপ্ত) এর আদেশে ও মামলা পরিচালনার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে হাইকোর্টের রীট শাখার সুপারিনটেডেন্ট মোঃ আব্দুল মোমেন বাদি হয়ে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ওই ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর মামলাটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া কার্যালয়ে প্রেরন করেন।
দুদক বগুড়া জেলা কার্যলয় হতে মামলাটি ঢাকায় প্রধান কর্যালয়ে প্রেরণ করলে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক বাদি হয়ে ওই আসামির বিরুদ্ধে গত ১৩ মার্চ এই মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি তদন্ত শেষে সম্প্রতি দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের এডি মোঃ হাফিজুর রহমান ওই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ ওই আদেশ দেন।

No comments