শিরোনাম

বগুড়ায় গরুর খুরারোগে দুশ্চিন্তায় খামারিরা, মিলছে না ভ্যাকসিন | Bogura TV | বগুড়া টিভি


আজাদুর রহমানঃ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নিয়মিত খুরা রোগে আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বাড়ছে। মারাও যাচ্ছে। এর আগে ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষক ও খামারিদের শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছিল।

এদিকে একের পর এক গরু মারা গেলেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে প্রতিষেধক ওষুধ মিলছে না বলে কৃষকেরা অভিযোগ করেছেন। 

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শীতের শুরু থেকে এ উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে গরু খুরা রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে। ক্রমেই আক্রান্ত গরুর সংখ্যা বাড়ছে।

ইতোমধ্যে ২০টির বেশি গরু মারা গেছে। এতে খামারি ও সাধারণ খামারিরা গবাদিপশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। উপজেলার গোপালপুর খাদুলী গ্রামের পলাশের ২টি, শ্যামগাঁতী গ্রামের শাহ আলমের ১টিসহ গ্রামে গ্রামে দুই একটি করে গরু খুরা রোগে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলার শ্যামগাঁতী গ্রামের কৃষক শাহ আলম জানান, খুরা রোগে আক্রান্ত গরুর প্রথমে পায়ে ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। এরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। মুখ দিয়ে লালা ঝরে। রোগাক্রান্ত গরুটি হাঁটাচলা করতে পারে না। কোনো প্রকার খাবার খেতে পারে না। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গিয়ে খুরারোগের প্রতিষেধক মিলছে না। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপরও এই রোগে আক্রান্ত গরু বাঁচানো যাচ্ছে না।

ধুনট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ আসাদুজ্জামান জানান, এই সময় প্রতিবছর খুরা রোগ বাড়ে। খুরারোগে আক্রান্ত গরুর জ্বর আসে, মুখে ও পায়ে ঘা হয়। পরে খাওয়া ছেড়ে দুর্বল হয়ে গরু মারা যায়। বিভিন্ন জায়গায় এ রোগের সংক্রমণ দেখা দিলেও প্রতিরোধে সতর্ক রয়েছেন।

এ রোগে বয়স্ক গরুর মৃত্যুর হার কম হলেও আক্রান্ত বাছুরকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যায়। খুরা রোগ থেকে গরুকে বাঁচানোর জন্য আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। এ বিষয়ে গবাদিপশুর মালিকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সুস্থ পশুকে ভ্যাকসিন দিতে হবে।

No comments