শিরোনাম

আমি যদি এলাকায় নাও যাই জনগণ আমার পক্ষে রায় দেবে; একেএম রেজাউল করিম তানসেন | Bogura TV | বগুড়া টিভি

আমি যদি এলাকায় নাও যাই জনগণ আমার পক্ষে রায় দেবে; একেএম রেজাউল করিম তানসেন
ছবিঃ প্রতিনিধি

আজাদুর রহমানঃ

আমি যদি এলাকায় নাও যাই জনগণ আমার পক্ষে রায় দেবে একটি টিভিতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এমন মন্তব্য করেছেন বগুড়া-৪ কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনের জাসদ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য একেএম রেজাউল করিম তানসেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাবার পর নৌকার মাঝি হয়েছিল কাহালুর প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন কবিরাজ, তবে রাজনৈতিক বেড়াজালে নৌকা ডুবে গেলেও এবারে মহাজোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন একেএম রেজাউল করিম তানসেন।

তানসেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি ২০১৪ সালে বগুড়া-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

রেজাউল করিম তানসেনের জন্ম ১৯৫৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। ৬৯ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের পৈত্রিক নিবাস বগুড়া জেলার সদর উপজেলার মালতি নগর এলাকায়। তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
পেশায় ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বহুদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন। তিনি জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য। এছাড়াও বগুড়া জেলা জাসদের সভাপতিও তিনি।

২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তানসেন। ওই নির্বাচনে ২২ হাজার ২০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেবার তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নুরুল আমিন বাচ্চু। লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৪৮৯ ভোট। তবে ২০০৮ এবং ২০১৮ সালে ১৪ দলীয় জোটের শরীক হয়ে একি আসনে ভোটে লড়ে হেরে যান তানসেন।

পহেলা ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে বগুড়া-৪ আসনের উপ-নির্বাচন। এতে ১৪ দলের শরিক প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা তানসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হলেন তিনি।

মশাল প্রতীকে তানসেন পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইউটিউব-ফেসবুকের ভাইরাল তারকা হিরো আলম। তিনি একতারা প্রতীকে পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের পর নতুন করে বগুড়ার দুটি আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। পহেলা ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে এই আসনের ১১২টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-৪ আসনে ১১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করা হয়েছিল। আসনটিতে মোট ভোটার তিন লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯ জন। এর মধ্যে কাহালু উপজেলায় ৯০ হাজার ৯৬৩ জন নারী এবং পুরুষ ভোটার ৮৯ হাজার ৮৮০ জন। নন্দীগ্রামে ৭৪ হাজার ৪৭১ জন নারী এবং পুরুষ ভোটার ৭৩ হাজার ১৫৫ জন।


No comments