শিরোনাম

বগুড়ায় আয়া পদে নিয়োগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিলেন সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক | Bogura TV | বগুড়া টিভি


আজাদুর রহমানঃ

বগুড়ায় আয়া পদে নিয়োগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিলেন সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক এমন অভিযোগে বগুড়া প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আয়া পদে একজন প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলন করা প্রার্থীর নাম সানজিদা আকতার, স্বামী মোঃ খোকা মিয়া, গ্রামঃ দাসগ্রাম, থানাঃ নন্দীগ্রাম, জেলাঃ বগুড়া। 

তিনি বগুড়া প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হয়ে জানান, নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য চলতি বছরে ৭ জুলাই প্রকাশিক "দৈনিক করতোয়" পত্রিকায় একজন নৈশ প্রহরী, একজন আয়া, একজন নিরাপত্তাকর্মী, একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোট ৪ টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। 

তিনি জানান, আমি এর মধ্যে 'আয়া' পদে আবেদন করি। নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক ড্রাফট সম্পূর্ণ করি। এরপর ১৯ নভেম্বর বিকাল আড়াইটায় সকল পদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। দুঃখের বিষয় আমি ব্যতিত সকল প্রার্থীদের এ্যাডমিট কার্ড দুই/তিন দিন আগে তাদের নিকট পৌছিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমাকে কোন এ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি। আমি এলাকাবাসীর মুখে শুনতে পেয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রে যাই। কেন্দ্রস্থলে কর্তৃপক্ষ আমাকে এ্যাডমিট দেওয়ার চেষ্টা করেন। যা আমি গ্রহন করে ডিজির প্রতিনিধি বরাবর পরীক্ষা স্থগিত রেখে পরবর্তীতে পরীক্ষার সময় চেয়ে আবেদন করি। তখন ডিজির প্রতিনিধি উক্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখে।

পরে আমি জানতে পারি যে, আমাকে বাত দিয়ে নিয়োগ দেওয়ার পায়তারা করছে। তখন আমি নিরুপায় হয়ে গত ২৩ নভেম্বর বগুড়া জজ আদালতে ২৭৫ নং একটি মামলা দায়ের করি। মামলা হওয়ায় আমার পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত রেখে অন্য ৩টি পদে নিয়োগ বানিজ্যের মাধ্যমে ১০ ডিসেম্বর সম্পূর্ণ করেন। 

কমিটির সভাপতি শ্রী সুকুমার চন্দ্রশীল ও প্রধান শিক্ষক শ্রী দয়াল চন্দ্র সরকার সহ কমিটির প্রভাবশালী ব্যক্তিগন মামলার তোওাক্কা না করে আমার পদে পুনরায় নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। লোকমুখে শোনা যাচ্ছে ডিজির প্রতিনিধিকে ম্যানেজ করে আমাকে বাদ দিয়ে উক্ত পদে মোছাঃ মনিরা বেগমকে মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিচ্ছে। 

আরো উল্লেখ্য যে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একজন দুর্নীতিবাজ এর সঙ্গে জড়িত। দাসগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন হওয়ার কারনে পুরাতন ভবনের ৫টি রুমের ইট, টিন, দরজা-জানালা সহ অন্যান্য আসবাবপত্র কমিটিকে না জানিয়ে গোপনে বিক্রয় করে একাই সকল অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং স্কুলের নতুন পুরাতন পাঠ্যপুস্তক গুলো প্রধান শিক্ষক এবং কেরানী শ্রী গৌর চন্দ্র শীল গোপনে বিক্রয় করেন। স্কুলের পুকুরের টাকা নিজেই আত্মসাৎ করেন। এগুলো সুষ্ঠ তদন্ত করার জন্য উর্দ্ধাতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন তিনি।

No comments