দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ায় মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠান | Bogura TV | বগুড়া টিভি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ায় মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ ই ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসক সভাকক্ষে মনোনয়ন বাছাই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় ৫-৬ ও ৭ এই তিন আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তাদের অধিকাংশ মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়, বাতিলের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অভিযোগ উল্লেখ করে বলেন, অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আয়কর রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল করা হয়নি, বেশ কয়েকজন প্রার্থীর ব্যাংক লোন আছে যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যেই অভিযোগ আকারে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করেছেন। তাছাড়া বেশ কয়েকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্ট ডিভিশনে মামলা চলমান থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
তবে বাতিলকৃত মনোনয়নপত্রের প্রার্থীদেরকে আগামী পাঁচ থেকে নয় ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অভিযোগ সেলে যথাযথ কাগজপত্র সহ আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রার্থিতা ফিরে পেতে পারে।
বাতিলকৃত প্রার্থীরা এক পারসেন্ট ব্যাংক সলভেন্সি সনদ দাখিল করতে না পারায় অধিকাংশ কারণ হিসেবে মনে করা হয়। তাছাড়া বেশ কয়েকজন ১০ জন ভোটারের মধ্যে বেশিরভাগ অমিল পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা। কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমর্থক ও প্রস্তাবক স্বাক্ষর না করলেও জাল স্বাক্ষর প্রতিস্থাপন করে মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়া হয়েছে।
এ সময় বগুড়া ৫ ইসলামী ঐক্য ফন্ট, জাসদ এর মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এ সময় কারন হিসেবে উল্লেখ করেন তার আয়কর বিবরণী রিটার্ন যথাযথ ভাবে দাখিল হয়নি।
বগুড়া ৬ আসনের জাসদ প্রার্থী এ্যাড. এমদাদুল হকের ৬ লক্ষাধিক টাকা পরিশোধ না করার কারনে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪ টি ভুল তথ্য থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
তাছারা ১০ টি তথ্যগত ভুল থাকায় বগুড়া সদর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নয়ন রায়ের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এদিকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বগুড়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাংবাদিক আজিজ আহমেদ রুবেলের ১০ হাজার টাকা ব্যাংক লোন থাকায় তার মনোনয়ন ফরম বাতিল করা হয়।
তবে কার্যালয় চলাকালীন সময়ের মধ্যে উক্ত টাকা পরিশোধ করার জন্য তাকে মৌখিক নোটিশ করা হয়। ব্যাংক সলভেন্সী সনদ জমা প্রদান মাত্রই তার মনোনয়ন বৈধ হবে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বগুড়া ৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মিলুর ছয় লক্ষাধিক টাকা ঋণ থাকার কারণে এবং দশ জন ভোটারের তথ্যে তদন্ত সাপেক্ষে নয়টি ভোটারের তথ্য অমিল থাকার কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
তাছাড়া শাজাহানপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বগুড়ার সাত গাবতলী শাজাহানপুর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মিলনের দশটি তথ্যগত বিষয়ে নয়টি ভুল পাওয়া যায় তাই তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।
বগুড়ায় সর্বমোট ৮৯ টি মনোনয়ন ফরমের মধ্যে ২৮ টি মনোনয়ন ফরম বাতিল ঘোষণা করা হয়। এবং বাতিলকৃত ফমের প্রার্থীদেরকে আগামী ৫থেকে ৯ তারিখের মধ্যে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ সেলে যোগাযোগ করার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

No comments