শিরোনাম

চীনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ভবন, নিহত বেড়ে ১১১ | Bogura TV | বগুড়া টিভি



বগুড়া টিভি ডেস্কঃ

মাঝরাতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে চীনের কিনহাই তাইবেতান অঞ্চল। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ১১১ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে ২৩০ জন। চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।


চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ গানসুর জিনজিয়ান কান্ট্রিতে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টার জানিয়েছে, ভূমি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তিস্থল ছিল। 


ভূমিকেম্প ধসে পড়া ভবন থেকে আহত ও নিহতদের উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকর্মীরা। তবে এ ভূমিকম্পে কতজন নিখোঁজ রয়েছে তা জানা যায়নি। 

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ গানসুতে ভূমিকম্প একটি সাধারণ বিষয়। কারণ এটি একটি ভূমিকম্পন প্রবণ এলাকা। ২০০৮ সালে এ অঞ্চলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। 

সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল গানসু এবং পার্শ্ববর্তী প্রদেশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে। এছাড়া কিংহাই প্রদেশের অনেক জায়গায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে। 

ভূমিকম্পের পরই ২ হাজার ২০০ উদ্ধারকর্মী উদ্ধারকাজে নেমে পড়েছেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। 

চীনের জাতীয় দুর্যোগ কমিশন এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগ পরবর্তী তৎপরতা শুরু করেছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ পাঠিয়েছে। 

এদিকে যে এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, সেখানে অনেক ঠাণ্ডা, ফলে উদ্ধার কাজে উদ্ধারকর্মীদের অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। গানসুতে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে মাইনাস ১৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গত সপ্তাহ থেকে শীত জেকে বসার কারণে চীনের অনেক এলাকায় বরফ পড়তে শুরু করেছে। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দালানের ধ্বংসস্তূপের চিত্র দেখা গেছে। বাসিন্দাদের রাতের অন্ধকারের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছ। 

প্রথমে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পর পরবর্তীতে নয়বার আফটার শক অনুভূত হয়। যার মাত্রা ছিল ৩ থেকে ৪ রিকটার স্কেল। 

No comments