শিরোনাম

সুন্দরী মায়াবী মুন্নীর হুমকিতে দিশেহারা সাবেক স্বামী ও তার পরিবার | Bogura TV | বগুড়া টিভি

সুন্দরী মায়াবী মুন্নীর  হুমকিতে দিশেহারা সাবেক স্বামী ও তার পরিবার


মাহমুদুল হাসান শুভ , কাজিপুর(সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সিরাাজগঞ্জের কাজিপুরে  সাবেক স্ত্রী মুন্নী খাতুন ২৪ ও তার পরিবারের সদস্যদের দেয়া মামলা ও হুমকি ধামকির ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আব্দুল হাকিম নামের এক অসহায়  অটোভ্যান চালক। তিনি উপজেলার লক্ষীপুর দক্ষিণ পাড়ার কৃষক গোলাম হোসেনের পুত্র । প্রতিকার চেয়ে আব্দুল হাকিমের পিতা  সিরাজগঞ্জ মুন্নী খাতুন তার পিতা গোফফার ওরফে মোকলেছুর এবং মাতা আকলিমা খাতুনকে বিবাদী করে  সিরাজগঞ্জ আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে সুন্দরী মায়াবী মুন্নী ও তার পরিবার আরও ক্ষিপ্ত হয়ে নানা প্রকার  হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন গোলাম হোসেন। 

মামলাসূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে গোলাম হোসেনের পুত্র ভ্যানচালক আব্দুল হাকিমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক সন্তানের জন্ম হয়।  বিয়ের পরই সুন্দরী মায়াবী  মুন্নী গাজীপুরের মাওনায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন বলে জানা গিয়েছে । সেখানে থাকা ”কালিন সময়ে নিজের স্বামীকে না জানিয়ে অন্য এক যুবকের সাথে বিয়ে করে ঔ সুন্দরী মায়াবী  মুন্নী। এই খবর আব্দুল হাকিমের পরিবার জানতে পেরে মুন্নীকে খোরপোশ দিয়ে আইনগতভাবে তালাক প্রদান করে।

এরইমধ্যে সুন্দরী মায়াবী  মুন্নী পরে বিয়ে করা ওই যুবকের নিকট থেকে মোটা টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাকে বিদায় করে দেয়। এরপর সুন্দরী মায়াবী  মুন্নী তার প্রথম স্বামী আব্দুল হাকিমের সাথে ঘর করার জন্য চেষ্টা চালায় এটা আমরা জানতে পেরেছি কিন্তু আব্দুল হাকিম রাজী না হওয়ায় গত ৯ আগস্ট রাতে ভ্যান নিয়ে বাড়ী ফেরার সময়। মাথাইলচাপড় গ্রামের ফাঁকা রাস্তায় আব্দুল হাকিমকে ধরে ফেলে সুন্দর মায়াবী  মুন্নী ও তার লোকজন। পরে ভ্যানসহ হাকিমকে নিজের বাড়িতে নিয়ে মারধোর করে আটকে রেখে সাদা কাগজে  টিপসই নেয় তারা । 


খবর পেয়ে আব্দুল হাকিমের পিতা গোলাম হোসেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নিয়ে মুন্নীদের বাড়িতে গেলে তারা অটোভ্যান ফেরত দেয়। কিন্তু আব্দুল হাকিমকে লুকিয়ে রাখে। এরপর বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ ঘটনার সাতদিন পরে আব্দুল হাকিমকে উদ্ধার। এদিকে  আব্দুল হাকিমকে ধরে নিয়ে যাবার পরেই মুন্নী সিরাজগঞ্জ আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুকের দুইটি মামলা করে। 


গোলাম হোসেন জানান,  ঔ সুন্দরী মায়াবী মুন্নীর কাজই হচ্ছে কাউকে ফাঁসিয়ে টাকা আদায় করা। সে আমাদের নামে মিথ্যা  মামলা দিয়েছে আবার প্রাণনাশের  ধামকিও দিয়ে যাচ্ছে তারা । এদিকে মুন্নীর পিতা গাফফার ওরফে মোকলেছুর মুটোফোনে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমার জামাইয়ের বাবার কারণে মেয়ের  সমস্যা হয়েছে”জামাই ঠিকই আছে কিন্তু তার পিতার বাধার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তারা আমাদের জানাই ।

No comments